ব্রয়লার খামারে রোগ কমাতে বায়োসিকিউরিটি মানছেন না অনেকেই
খামারে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, জীবাণুনাশক ব্যবহার আর সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় ঝুঁকি বাড়ছে।
Amar Krishi
Latest Coverage
Category Archive
গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি, দুগ্ধ ও মাংস উৎপাদনকেন্দ্রিক প্রতিবেদন ও পরামর্শ।
খামারে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, জীবাণুনাশক ব্যবহার আর সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় ঝুঁকি বাড়ছে।
খামারে বাতাস চলাচল, পরিষ্কার পানি আর খনিজ লবণ সরবরাহ ঠিক রাখলে উৎপাদন কমে না।
বাতাস চলাচল, পর্যাপ্ত পানি আর খনিজ মিশ্রণ ঠিক থাকলে দুধ উৎপাদন অনেকটাই স্থিতিশীল রাখা যায়।
খামারে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত জীবাণুনাশে রোগের চাপ কমে গিয়ে চিকিৎসা ব্যয়ও কমছে।
শীত বা বৃষ্টির সময় ছাগলের বাচ্চায় কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া আর নিস্তেজতা দেখলে দ্রুত ব্যবস্থা দরকার।
খামারের আলো ঠিক না থাকলে খাদ্য গ্রহণ ও ডিম উৎপাদন দুটোই কমে যেতে পারে।
গরুর খামারঘেঁষা পরিবারগুলো বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট থেকে জ্বালানি ও জৈব সার পাচ্ছেন একসঙ্গে।
জলাবদ্ধতা ও ময়লা পানির কারণে বর্ষায় হাঁসের খামারে সংক্রমণ বাড়ে।
বাংলার কৃষির বিশ্বস্ত সংবাদ ও তথ্যভান্ডার
আমার কৃষি